আমাদের অভ্যন্তরীণ অত্যাধুনিক মডেল দিয়ে পাওয়া গণিতের নানা ক্ষেত্রের নতুন ফলাফল প্রকাশ করছি.
গণিতের গবেষকসমাজের সঙ্গে ফলাফল ভাগ করে নেওয়ার একটি মানসম্মত পদ্ধতি গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি. এ জন্য সর্বোত্তম চর্চা নির্ধারণে উন্নত গবেষণা ইনস্টিটিউটের গণিত ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক স্বাধীন উপদেষ্টা দলের(একটি নতুন উইন্ডোতে খোলে) সঙ্গে পরামর্শ করছি. এসব ফলাফল প্রকাশের পদ্ধতিতে আমরা তাদের পরামর্শ ও প্রকাশ্য সুপারিশগুলো(একটি নতুন উইন্ডোতে খোলে) অন্তর্ভুক্ত করছি.
এবার ফলাফলগুলো একটি গিটহাব রিপোজিটরিতে প্রকাশ করছি. সেখানে গবেষণাপত্র সংশোধন ও সূত্র হিসেবে উল্লেখ করার নিয়মাবলিও থাকছে. এই ফলাফলগুলো প্রকাশের জন্য গবেষকসমাজ পরিচালিত অন্য বিকল্প মাধ্যমও খুঁজছি, যেগুলো কমিটির নির্দেশনা মেনে চলে. ভবিষ্যতে প্রকাশিত গবেষণাপত্রগুলোর মান আরও উন্নত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ. এ জন্য তথ্যসূত্রের উল্লেখ, গাণিতিক ব্যাখ্যা ও ফলাফলের উপস্থাপনা উন্নত করব, যাতে সেগুলো আরও ভালোভাবে বোঝা যায়.
আমাদের গিটহাব রিপোজিটরিতে অনেক প্রমাণের লিনে লেখা আনুষ্ঠানিক রূপও প্রকাশ করছি. লিন এমন একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, যা দিয়ে গাণিতিক প্রমাণ কম্পিউটারের মাধ্যমে যাচাই করা যায়. আরও প্রমাণের আনুষ্ঠানিক রূপ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো রিপোজিটরিতে যোগ করব.
বিজ্ঞানে স্বচ্ছতা ও উন্মুক্ততাকে উৎসাহ দিতে আমরা কীভাবে ফলাফলগুলো পেয়েছি, সে সম্পর্কেও আরও বিস্তারিত তথ্য রিপোজিটরিতে প্রকাশ করছি. এর মধ্যে রয়েছে মডেলের যুক্তিপ্রক্রিয়ার 10টি সারসংক্ষেপ, ChatGPT‑তে Pro ব্যবহারের হিসাবে ব্যয়িত গণনাশক্তির আনুমানিক পরিমাণ এবং কতগুলো সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে, তার পরিসংখ্যান. প্রতিটি ফলাফল পেতে গড়ে যে গণনাশক্তি লেগেছে, তা ChatGPT Pro-এর প্রায় তিন ঘণ্টা চিন্তা করার সমতুল্য.
আমরা চাই, এই অগ্রগতি মানুষের জ্ঞানের পরিধি বাড়াক এবং গণিতে আরও অগ্রগতির পথ খুলে দিক. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলগুলো বোঝার লক্ষ্যে আমরা ধারাবাহিকভাবে কর্মশালা, সম্মেলন ও বিশেষ কর্মসূচির জন্য অর্থায়ন করব. অদূর ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আরও জানাব.
আমরা বিজ্ঞানীদের হাতে সরাসরি সর্বাধুনিক সক্ষমতা তুলে দিতে চাই. তাই যে মডেল দিয়ে এই ফলাফলগুলো পাওয়া গেছে, সেটি দায়িত্বশীলভাবে উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছি. এ কারণেই গণিত ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে আমাদের অভ্যন্তরীণ অত্যাধুনিক মডেলগুলোর মূল্যায়ন চালিয়ে যাওয়া জরুরি. এতে এসব ক্ষেত্রকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তৈরির কাজ ত্বরান্বিত করতে পারব. গবেষকসমাজের মতামতের ভিত্তিতে আমরা পদক্ষেপ নিতে থাকব এবং ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি প্রকাশের মানদণ্ড হালনাগাদ করব.


