OpenAI

৩ নভেম্বর, ২০২৬

এআই দিয়ে আবাসন ব্যবস্থাপনা বদলাচ্ছে হেইমস্টাডেন

বাড়ি ভাড়া দেওয়ার পদ্ধতি নতুন করে ভাবা থেকে এআইচালিত সম্পত্তি পরিচালনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা—আবাসন ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে OpenAI ব্যবহার করছে হেইমস্টাডেন.

উষ্ণ পোড়ামাটির রঙের পলেস্তারায় হেইমস্টাডেন বোস্তাদের সাদা লোগো.
কোম্পানির আকার: মিড-মার্কেট
অঞ্চল: ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্য
পণ্যসমূহ: ChatGPT, Codex
ইন্ডাস্ট্রি: সার্ভিস

৯৯%

বাড়ির ছবি তৈরির খরচ কমেছে

২০,১১২

Codex দিয়ে বিশ্লেষণ করা স্থাবর সম্পত্তি

৫০%

২–৩ মাসের মধ্যে কর্মীদের ব্যবহার

লোডিং…

ভবনগুলো বদলায়নি. বদলে গেছে সেগুলো ঘিরে বাকি সবকিছু.

একশ বছর আগে আবাসিক ভবন পরিচালনা বলতে বোঝাত ভাড়াটে খোঁজা, ভাড়া আদায় করা এবং সম্পত্তি ভালো অবস্থায় রাখা. আজও এই মৌলিক কাজগুলো প্রায় একই রয়ে গেছে. বদলাচ্ছে শুধু কাজগুলো যেভাবে করা হয়.

ইউরোপের আবাসিক সম্পত্তি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হেইমস্টাডেন⁠(একটি নতুন উইন্ডোতে খোলে)-এর কাছে এটি একটি সুযোগ: এআই যদি হাজার হাজার বাড়ি পরিচালনার ধরন আমূল বদলে দিতে পারে?

২০২৫ সালের জুনে হেইমস্টাডেনের নেতৃত্ব এআই নিয়ে উদ্যোগ আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়. বেশ কয়েকটি প্ল্যাটফর্ম মূল্যায়ন করে প্রতিষ্ঠানটি OpenAI বেছে নেয়. লক্ষ্য ছিল দুটি: কর্মীদের সক্ষমতা বাড়ানো এবং ব্যবসার মূল প্রক্রিয়াগুলো নতুন করে ভাবা.

লক্ষ্য হলো ভবন পরিচালনাকে ধীরে ধীরে আরও স্বয়ংক্রিয় করা. সেখানে এআই সম্পত্তির পুরো জীবনচক্রজুড়ে প্রয়োজনের আগাম ধারণা পেতে, কাজ সমন্বয় করতে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে পারবে. হেইমস্টাডেনের যৌথ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হেলগে ক্রোগসবোল বলেন, “আমাদের ভবনগুলোর উদ্দেশ্য বদলায়নি.” “আমরা মানুষের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করি. তবে প্রচলিত রীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে ও নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করে আমরা যেভাবে ভবনগুলো পরিচালনা করি, তা ক্রমাগত বদলে চলেছে.”

“সেই রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করার সবচেয়ে বড় সুযোগগুলোর একটি হিসেবে আমরা এআইকে দেখি.”

—হেলগে ক্রোগসবোল, যৌথ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, হেইমস্টাডেন

বাড়ি ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা নিয়ে নতুন ভাবনা

ভেবে দেখুন, একটি বাড়ি খালি হলে কী কী করতে হয়.

প্রচলিত পদ্ধতিতে সেটি আবার ভাড়া দিতে হলে ভাড়া নির্ধারণ, ছবি তোলার ব্যবস্থা, বিজ্ঞাপন তৈরি এবং বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হয়. প্রতিটি ধাপেই সময়, সমন্বয় ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ দরকার. এখানে তথ্যসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জও আছে: নিজের কী আছে, প্রতিযোগীদের কী আছে এবং গ্রাহক কী চান, তা বুঝতে হয়.

এখন এই প্রক্রিয়ার সব গুরুত্বপূর্ণ ধাপেই এআই সহায়তা করছে:

  • ভাড়া নির্ধারণ: ChatGPT সাইটে তৈরি সরঞ্জামের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ ও সুপারিশ

  • বিজ্ঞাপন: এআই দিয়ে ছবি সাজানো ও অ্যাপার্টমেন্টের বিবরণ লেখা

  • ভাড়ার বিজ্ঞাপন পর্যালোচনা: এজেন্ট হেইমস্টাডেনের মানদণ্ড অনুযায়ী সব সক্রিয় বিজ্ঞাপন পর্যালোচনা করে

  • প্রতিক্রিয়া: এআইয়ের তৈরি বাজার-প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ ভাড়া দেওয়ার দায়িত্বে থাকা দলগুলোকে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করে. এতে বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভাড়া আরও নিয়মিত সমন্বয় করা যায়

সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা ও অনুমোদনের দায়িত্ব কর্মীদের হাতেই থাকে. তবে সেই সিদ্ধান্তগুলো ঘিরে কাজের ধরন বদলে যাচ্ছে.

নেদারল্যান্ডসে ডিজিটালভাবে আসবাব ও সাজসজ্জা যোগ করে বাড়ির ছবি তৈরির খরচ প্রায় €৫০ থেকে কমে €০.১০-এর নিচে নেমেছে—অর্থাৎ ৯৯%-এরও বেশি কমেছে. হেইমস্টাডেনের হিসাবে, শুধু ওই বাজারেই বছরে €১,৩০,০০০ সাশ্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে.

এর গুরুত্ব শুধু কম খরচে বিজ্ঞাপন তৈরিতেই সীমাবদ্ধ নয়. ভাড়া দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়ায় এআই ব্যবহার করে হেইমস্টাডেন বাজারের চাহিদায় দ্রুত সাড়া দিয়ে বাড়ি ভাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা গড়ে তুলছে.

হেইমস্টাডেনের প্রধান ডিজিটাল কর্মকর্তা নিকোলাই ব্রামার বলেন, “আমাদের এআই কৌশলের তিনটি স্তম্ভ রয়েছে. প্রথমত, প্রশিক্ষণ ও উপযুক্ত সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে আমরা কর্মীদের সক্ষমতা বাড়াই. দ্বিতীয়ত, বড় এআই উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে আমাদের একটি কেন্দ্রীয় রূপান্তর দপ্তর এবং এআই ব্যবহারে অগ্রণী কর্মীদের একটি নেটওয়ার্ক রয়েছে. তৃতীয়ত, আমাদের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা ও তথ্য মডেলগুলোকে এআইয়ের উপযোগী করে আমরা ভিত্তি আরও মজবুত করছি.”

ভাড়া দেওয়ার কাজে তিনটি স্তম্ভই বাস্তবে প্রয়োগ করা হয়: সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণের সাহায্যে সহকর্মীরা ডিজিটালভাবে সাজানো বাড়ির ছবি ও ভাড়ার বিজ্ঞাপন তৈরি করতে পারেন; আমাদের কেন্দ্রীয় দল ভাড়া নির্ধারণ, বিজ্ঞাপন তৈরি ও পর্যালোচনা এবং বাজারের প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণের উন্নয়নে সমন্বয় করে; আর ভাড়া নির্ধারণ ও বিজ্ঞাপন তৈরিতে সহায়ক এআই সরঞ্জামগুলোর কাছে আমরা সম্পত্তির তথ্য সহজলভ্য করছি.

“আমরা প্রথমে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক প্রক্রিয়াগুলো ধাপে ধাপে বিশ্লেষণ করে দেখেছি, কোথায় এআই সুফল আনতে পারে. ভাড়া দেওয়ার কাজ একটি ভালো উদাহরণ: এখানে একটি কাজ স্বয়ংক্রিয় করাই লক্ষ্য নয়, বরং পুরো প্রক্রিয়াটি আরও ভালোভাবে চালানোই লক্ষ্য.”

—নিকোলাই ব্রামার, প্রধান ডিজিটাল কর্মকর্তা, হেইমস্টাডেন

যখন বিষয়বিশেষজ্ঞরাই হয়ে ওঠেন নির্মাতা

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ কিছু পরিবর্তন ঘটছে প্রচলিত সফটওয়্যার প্রকৌশল দলের বাইরেই.

হেইমস্টাডেনের সব সম্পত্তির পরিবেশগত ঝুঁকি মূল্যায়ন করা প্রয়োজন ছিল. তথ্য ছিল, তবে তা ছড়িয়ে ছিল বিভিন্ন উন্মুক্ত উৎস, বিন্যাস ও তথ্যসমষ্টিতে. সেই তথ্য থেকে ব্যবহারযোগ্য মূল্যায়ন তৈরি করতে প্রচুর কাজ হাতে করতে হতো, সঙ্গে লাগত যথেষ্ট প্রযুক্তিগত সহায়তা.

হেইমস্টাডেনের পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন বিশ্লেষক জুলিয়া এরলান্দসেনের সফটওয়্যার তৈরির পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না. তবু Codex-এর সহায়তায় তিনি ভিন্ন একটি পদ্ধতি গড়ে তোলেন.

তথ্য খুঁজে বের করা, ত্রুটি দূর করে অভিন্ন বিন্যাসে আনা, মান যাচাই এবং বারবার ব্যবহারযোগ্য তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ধারা তৈরিতে সহায়তা করেছে Codex. পদ্ধতি ও ফলাফল যাচাইয়ের নিয়ন্ত্রণ জুলিয়ার হাতেই ছিল.

ফলাফল: ২০,১১২টি সম্পত্তির মূল্যায়ন, ব্যবহারযোগ্য তথ্যের ৬০ লাখের বেশি সারি তৈরি এবং কাজ শেষ করতে আনুমানিক পাঁচজনের এক বছর সময় লাগার বদলে দুজনের দুই মাসে তা নামিয়ে আনা.

এ ছাড়া, সমস্যাটি সমাধানে বাইরের পরামর্শক নিয়োগের প্রয়োজনও এড়াতে পেরেছে হেইমস্টাডেন.

জটিল একটি বিশ্লেষণী প্রকল্প হিসেবে যা শুরু হয়েছিল, তা এখন বারবার কাজে লাগানোর মতো সক্ষমতায় পরিণত হচ্ছে. এটি জলবায়ু ঝুঁকি মূল্যায়ন, প্রতিবেদন তৈরির প্রয়োজন মেটানো এবং বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করছে.

“Codex আমাদের এমন একটি সমাধান তৈরিতে সাহায্য করেছে, যার জন্য আগে ব্যাপক প্রযুক্তিগত সহায়তা লাগত. পদ্ধতিটি এখন আমাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে, তাই আমরা নিজেরাই এর উন্নয়ন চালিয়ে যেতে পারি.”

—জুলিয়া এরলান্দসেন, পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন বিশ্লেষক, হেইমস্টাডেন

দায়িত্বশীলভাবে এআই ব্যবহার

যেসব কাজে কর্মীদের সহায়তা প্রয়োজন, সেসব কাজেই এআই ব্যবহারে জোর দিচ্ছে হেইমস্টাডেন. ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ChatGPT Enterprise চালু করার দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই অর্ধেক কর্মী এটি ব্যবহার করতে শুরু করেন. কেন্দ্রীয় এআই রূপান্তর দপ্তর ব্যবহারের উদাহরণের একটি সংগ্রহ রাখে, যাতে সহকর্মীরা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অংশের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারেন.

কর্মীরা তথ্য সুরক্ষার নিয়ম মেনে অনুমোদিত সরঞ্জাম ব্যবহার করেন. এআই দিয়ে তৈরি বিষয়বস্তু পাঠানোর আগে তা পর্যালোচনা করা এবং সিদ্ধান্ত অনুমোদনের দায়িত্ব তাঁদেরই থাকে.

সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়কেরাও এআই ব্যবহার করছেন, এমনকি তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ শুরুতে এ বিষয়ে সন্দিহান ছিলেন. নরওয়েতে একজন তত্ত্বাবধায়ক একটি অবহেলিত অ্যাপার্টমেন্টের অবস্থা মূল্যায়ন করে অগ্রাধিকার অনুযায়ী সংস্কার পরিকল্পনার খসড়া তৈরিতে ChatGPT ব্যবহার করেন. নিজের পর্যবেক্ষণগুলোকে তিনি একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনায় রূপ দেন, যা পরে পর্যালোচনা ও পরিমার্জন করা যায়.

“প্রতিষ্ঠানের সব অংশের কর্মীরা তাঁদের দৈনন্দিন কাজে এআই ব্যবহারের বাস্তবসম্মত উপায় খুঁজে পাচ্ছেন. আমাদের কাজ হলো তথ্য সুরক্ষিত রাখা, দায়িত্ব স্পষ্ট করা ও নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতে রেখে কার্যকর পদ্ধতিগুলোর ব্যবহার আরও বিস্তৃত করা.”

—আন্দ্রেয়াস কালমার লিন্ডকুইস্ট, ব্যবস্থাপক, এআই-অগ্রাধিকার দল, হেইমস্টাডেন

পরবর্তী দিগন্ত: প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে কাজ সম্পাদন

হেইমস্টাডেন ইতিমধ্যে পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে: এমন এআই, যা বিভিন্ন ব্যবস্থায় কাজ করতে এবং বহু ধাপের প্রক্রিয়া সমন্বয় করতে পারে.

প্রতিষ্ঠানটির ক্রয়সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ প্ল্যাটফর্ম এখন ধাপে ধাপে চালু করা হচ্ছে. এতে কাজের ধারা স্বয়ংক্রিয় করার প্রযুক্তির সঙ্গে এপিআইয়ের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে OpenAI-এর মডেল. আউটলুক, শেয়ারপয়েন্ট ও টিমসজুড়ে কাজ করার জন্য তৈরি এই ব্যবস্থা চুক্তি বিশ্লেষণ, দর-কষাকষির প্রস্তুতি এবং চুক্তির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে. তবে বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত ও অনুমোদনের দায়িত্ব কর্মীদের হাতেই থাকে.

দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো আরও মৌলিক পরিবর্তন আনা.

হেইমস্টাডেন যৌথভাবে অ্যামপ্লিও এস্টেট তৈরি করছে. এই আধুনিক সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা এমসিপির মাধ্যমে এআইচালিত কাজের ধারা সমর্থন করার জন্য তৈরি. লক্ষ্য হলো, যথাযথ মানবিক তত্ত্বাবধানে কর্মীরা যেন ChatGPT‑এর মতো এআই ব্যবহার করে সম্পত্তির তথ্য সংগ্রহ করতে এবং মূল ব্যবসায়িক ব্যবস্থাগুলোতে কাজ সম্পাদন করতে পারেন.

এভাবেই হেইমস্টাডেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত ভবনের ধারণাকে বাস্তবসম্মত প্রযুক্তি পরিকল্পনায় রূপ দিতে শুরু করছে.

এক নজরে ফলাফল

  • নেদারল্যান্ডসে ছবি তৈরির খরচ ৯৯%-এর বেশি কমেছে.

  • Codex দিয়ে ২০,১১২টি স্থাবর সম্পত্তি মূল্যায়ন করা হয়েছে. এতে কাজ শেষ করতে আনুমানিক পাঁচজনের এক বছর সময় লাগার বদলে দুজনের দুই মাসে তা নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে.

  • চালু করার ২–৩ মাসের মধ্যে ৫০% কর্মী ব্যবহার শুরু করেছেন.

নেতৃত্বের জন্য শিক্ষা:

  • মানুষকে গুরুত্ব দিন: মূল বাধা প্রযুক্তি নয়, বরং তা কাজে লাগানোর উদ্যোগ ও কল্পনাশক্তির সীমাবদ্ধতা

  • অগ্রণী সহকর্মীদের খুঁজে নিন: নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে যাঁরা পরিবর্তন এগিয়ে নেন, তাঁদের কাছ থেকেই আসে সবচেয়ে বড় সুফল

  • প্রক্রিয়াটি ঠিক করুন: এআই ত্রুটিপূর্ণ প্রক্রিয়া ঠিক করবে না, তবে ভালো প্রক্রিয়ার প্রয়োগের পরিসর অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে.

এরপর কী

হেইমস্টাডেনের লক্ষ্য মানুষবিহীন ভবন নয়. বরং এমন সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, যেখানে ক্রমশ আরও বুদ্ধিমান ব্যবস্থা কর্মীদের আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে এবং গ্রাহকদের সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে.

ভবনগুলো আগের মতোই থাকবে—মানুষের ঘর, মাথার ওপর ছাদ হয়ে. তবে সেগুলো পরিচালনার ধরন চিরতরে বদলে গেছে.

কাজের নতুন যুগে যোগ দিন

বিশ্বজুড়ে 1 মিলিয়নেরও বেশি ব্যবসা OpenAI-এর সাথে অর্থপূর্ণ ফলাফল অর্জন করছে.